আন্সবিডিতে সুস্বাগতম।এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।
আন্সবিডি এ সুস্বাগতম, যেখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। মূলত এটি বাংলাভাষীদের জন্য উন্মুক্ত শিক্ষামূলক প্রশ্নোত্তর প্লাটফর্ম। বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত শিক্ষামূলক প্রশ্নোত্তর প্লাটফর্ম গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
  1. siam

    163 পয়েন্ট

    21 টি উত্তর

    48 টি প্রশ্ন

  2. Aolad hosen

    149 পয়েন্ট

    37 টি উত্তর

    38 টি প্রশ্ন

  3. Sarah!

    105 পয়েন্ট

    33 টি উত্তর

    5 টি প্রশ্ন

  4. Robiul Islam Raby

    86 পয়েন্ট

    29 টি উত্তর

    2 টি প্রশ্ন

  5. Nodi akter

    75 পয়েন্ট

    18 টি উত্তর

    14 টি প্রশ্ন

6 Online
0 User 6 Guest
16 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন

4 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
 
সর্বোত্তম উত্তর
আলিফ লাম মিম । এগুলোর সুস্পষ্ট কোনো অর্থ নেই ।কোন কোন স্থানে দুটি অক্ষর এসেছে যেমন ﴿حـم ﴾ (হা মিম) (৪৪:১) কোন জায়গায় তিনটি অক্ষর এসেছে, যেমন ﴿الم ﴾ (আলিফ লাম মিম) (২:১) কোন জায়গায় চারটি, যেমন, ﴿المر﴾ (আলিফ লাম মিম র) (১৩:১) এবং ﴿المص ﴾ (আলিফ লাম মিম স্বদ) (৭:১)। কখনো এসেছে পাঁচটি, যেমন, ﴿كهيعص ﴾ (কাফ হা ইয়া ‘আইন স্বদ) (১৯:১) এবং ﴾حم – عسق﴿ (হা মিম। ‘আইন সিন ক্বফ) (৪২:১-২) এরূপ হওয়ার কারণ হচ্ছে আরবী ভাষার শব্দগুলি এক, দুই, তিন, চার বা সর্বোচ্চ পাঁচ অক্ষর বিশিষ্ট।
করেছেন
নির্বাচিত করেছেন
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
আলিফ লাম মিম । এগুলোর সুস্পষ্ট কোনো অর্থ নেই ।
করেছেন
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
আমি হাফিজুর রহমানের একটা ওয়াজে শুনেছিলাম যে, আলিফ লাম মিম ,আলিফ লাম র , এগুলোর কোনো অর্থ মানুষের জানা নেই । এ বর্ণ গুলোর মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের প্রমান করিয়ে দিয়েছেন যে,এই কোরআন আল্লাহর কালাম।
করেছেন
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
পবিত্র কোরআনের ২৯ টি সূরার শুরুতে এ ধরণের অক্ষর রয়েছে। কখনো দেখবেন ‘সদ’ কখনো ‘হা মীম’। কখনো চারটা কখনো পাঁচটা অক্ষর রয়েছে। আর এ অক্ষরগুলোর ব্যাখ্যা নিয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে। কেউ বলেন, এ অক্ষরগুলো আল্লাহ তায়ালার সংক্ষিপ্ত রূপ। কেউ বলেন, এটা আল্লাহ তায়ালার স্বাক্ষর। কেউ বলেন, এটা আল্লাহর নাম। কেউ বলেন, জীবরাঈল (আ) এ কথা বলে নবীজী (সা)’র মনযোগ আকর্ষণ করেছিলেন। আর নবীজী এটা বলে অন্যান্য মানুষের মনযোগ আকর্ষণ করেছেন। তবে সবচেয়ে খাঁটি ও বিশুদ্ধ ব্যাখা হচ্ছেন আপনারা দেখবেন, এ অক্ষরগুলো অনেক সূরার শুরুতে রয়েছে। এগুলো দ্বারা মানুষকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, এ অক্ষরগুলো দ্বারা হুবহু আরেকটি বই বানিয়ে দেখাও। পবিত্র কোরআনের অনেক জায়গায় আল্লাহ তায়ালা মানুষকে এ চ্যালেঞ্জ করেছেন। কোরআনে উল্লেখ রয়েছে, মানুষ ও জ্বীন একত্রে সমবেত হয়েও তারা কোরআনের মত আরেকটি বই রচনা করতে পারবে না। যেমন সূরা তুরের ৩৪ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ আছে যে, ‘তোমরা কোরআনের মতো আরেকটি বই রচনা করতে পারবে না’। যেহেতু কোরআন নাযিল হয়েছে আরবি ভাষায় ও স্থানীয়দের ভাষাও ছিল আরবি; তাই সে অক্ষরগুলোও আরবি ভাষায় বলা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা পরোক্ষভাবে এ শব্দগুলো দ্বারা বলছেন, আরবি তো তোমাদেরই ভাষা। তোমরা তো আরবি অক্ষরগুলো নিয়ে খুবই গর্ব করো। এ অক্ষরগুলো দিয়ে কোরআনের মতো একটি সূরা বানিয়ে দেখাও। আপনারা এও লক্ষ করবেন, এ অক্ষরগুলোর পরই কোরআনের প্রশংসা করা হয়েছে। এ অক্ষরগুলো ও কোরআনের প্রশংসা করে আল্লাহ বান্দাকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন তোমাদের চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। তোমরা এটা করতে পারবে না। এ পর্যন্ত কেউ করতে পারেনি। অনেক অমুসলিমই চেষ্টা করেছে। কেউ পারেনি, ভবিষ্যতেও কেউ পারবে না।
করেছেন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

1 টি উত্তর
03 ফেব্রুয়ারি "নামের অর্থ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Robiul Islam Raby
2 টি উত্তর
01 মে "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Nodi akter
1 টি উত্তর
01 এপ্রিল "ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sajim
1 টি উত্তর
21 সেপ্টেম্বর 2020 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anisa Islam
1 টি উত্তর
22 এপ্রিল "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Nodi akter
1 টি উত্তর
03 এপ্রিল "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Abdus Salam
1 টি উত্তর
29 মার্চ "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Abdus Salam
1 টি উত্তর
29 মার্চ "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Abdus Salam
1 টি উত্তর
05 ডিসেম্বর 2020 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anisa Islam
...